প্রথাগত সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টার অফিস সূচি এখন বৈশ্বিক কর্মসংস্কৃতিতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
সৃজনশীল সেবা সংস্থা শিয়ার হ্যাভকের সহপ্রতিষ্ঠাতা জেন মিগান এ পদ্ধতির অন্যতম উদাহরণ। তিনি ভোরে পরিবারের অন্য সদস্যরা জাগার আগেই ল্যাপটপ নিয়ে বসেন। এরপর সন্তানদের স্কুলে পৌঁছে দেয়া বা বাজারের মতো ব্যক্তিগত কাজ সেরে আবার কাজে ফেরেন। মিগান বলেন, ‘কখনো কখনো কাজের ফাঁকে বিরতি নিলে মাথায় সেরা আইডিয়াগুলো আসে। শুধু ল্যাপটপের সামনে বসে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে সবসময় সৃজনশীল কিছু বের হয় না।’
ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক রিমোট স্টাফিং প্রতিষ্ঠান অফিস বিকনের সিইও প্রণব দালাল বলেন, ‘অনেক সময় কর্মীরা ব্যক্তিগত কাজে বেশি সময় দিলে দলের অন্য সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হতে পারে। তাই এ পদ্ধতির সাফল্যের চাবিকাঠি হলো কাজের মান ঠিক রাখা ও নির্ভরযোগ্যতা বজায় রাখা।’
বিশেষজ্ঞদের মতে, মাইক্রোশিফটিং বিশেষ করে দীর্ঘস্থায়ী রোগে আক্রান্ত বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


