শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত পূবালী ব্যাংক পিএলসির চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) নিট মুনাফা বেড়েছে ২১ শতাংশ।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে পূবালী ব্যাংক। এর মধ্যে ১৫ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ৩৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ৫ টাকা ৯৯ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।
২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে পূবালী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৭৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৬ টাকা ৮ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে পূবালী ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৭৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৪৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৬ টাকা ৩৩ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পূবালী ব্যাংকেরর ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৪৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ২৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪১ টাকা ৯৬ পয়সায়।
পূবালী ব্যাংকের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।
১৯৮৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত পূবালী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৩০১ কোটি ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৪ হাজার ২৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩০ কোটি ১৪ লাখ ৩৪ হাজার ৮৬৯। এর ৩১ দশমিক ৮৭ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৪ দশমিক ৯০, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ৫ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৩ দশমিক ১৮ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


