গত ডিসেম্বর মাসে সীমান্ত এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১৪৭ কোটি ৮৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকার চোরাচালান পণ্যসামগ্রী জব্দ করেছে। বিজিবির জনসংযোগ বিভাগ সোমবার (৬ জানুয়ারি) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে চার কেজি ১৯২ গ্রাম স্বর্ণ, ১০ কেজি ১২৫ গ্রাম রুপা, ১১ হাজার ৫২৩টি শাড়ি, ৯ হাজার ৬১৭টি থ্রিপিস ও চাদর, ৮ হাজার ৩৮৭টি তৈরি পোশাক, এবং ১০ হাজার ২০৪ মিটার থান কাপড়। এছাড়া সাত লাখ ৮৯ হাজার ১৫২টি কসমেটিকস সামগ্রী ও ৪ হাজার ৭০২টি ইমিটেশন গহনা উদ্ধার করা হয়েছে। বিজিবির অভিযানে আরও পাওয়া গেছে ১৩ লাখ ৪২ হাজার ৬০৩টি আতশবাজি, ৬ হাজার ৭৮১ ঘনফুট কাঠ, ৬ হাজার ৩৬ কেজি চা পাতা, ২১ হাজার ৪৯০ কেজি সুপারি, তিন লাখ ৯৫ হাজার ৩৯৫ কেজি চিনি, এবং ১২ হাজার ৬২৫ কেজি সার।
এছাড়া এক কেজি ৭৯০ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ আইস, ৬ কেজি ২৬৭ গ্রাম হেরোইন, ২৮ হাজার ৯১৩ বোতল ফেনসিডিল, ১৮ হাজার ৩২৪ বোতল বিদেশি মদ এবং এক হাজার ৯৩ কেজি গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে বিজিবি একটি পিস্তল, একটি রাইফেল, একটি এয়ারগান, পাঁচটি ম্যাগাজিন, ১৪ রাউন্ড গুলি, একটি মর্টার শেল, একটি গ্রেনেড এবং একটি রকেট গোলা জব্দ করেছে।
বিজিবির অভিযানে মাদক পাচার ও চোরাচালানের অভিযোগে ২০৮ জনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৪২৬ জন বাংলাদেশি ও ১৮ জন ভারতীয় নাগরিককে আটক করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, বাংলাদেশে প্রবেশের সময় ৭৭২ জন মায়ানমার নাগরিককে আটক করে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বিজিবি জানিয়েছে, দেশের সীমান্ত এলাকাগুলোতে চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।


