পুঁজিবাজার বিষয়ে ভারতের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দেশটির সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন।
অনুষ্ঠানে সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়নকে কেন্দ্র করে একটি কৌশলগত পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন, যেখানে ভারতের সঙ্গে সহযোগিতার সুস্পষ্ট সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়। তিনি ভারতের পুঁজিবাজারের অভিজ্ঞতাকে আরো গভীরভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান, বিশেষ করে বাজারের বহুমুখীকরণ ও পণ্যভিত্তিক ডেরিভেটিভস বাজার গড়ে তোলার ক্ষেত্রে। তিনি বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে বিদ্যমান সম্ভাবনাগুলো অন্বেষণের জন্য ভারতীয় ব্রোকার ও বিনিয়োগকারীদের আমন্ত্রণ জানান।
ভারতের সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন পুঁজিবাজার বিষয়ে নিজ দেশের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, ‘যৌথ কারিগরি সেশন, বিশেষায়িত কর্মশালা এবং নলেজ ট্রান্সফার প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশেষত কমোডিটি ডেরিভেটিভস খাতে ভারতের পরীক্ষিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে তার আর্থিক বাজারকে আরো উন্নত করতে পারে, যা হবে বাংলাদেশের পণ্য খাতসংশ্লিষ্ট অংশীজনদের জন্য মূল্য নির্ধারণ এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ অব ইন্ডিয়া (এমসিইএক্স) কমোডিটি ডেরিভেটিভসের ক্ষেত্রে একটি বৈশ্বিক শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়ার (সেবি) আনুষ্ঠানিক সহযোগিতা প্রাপ্তির মাধ্যমে এর সফল মডেলটি সিএসইর জন্য একটি ব্লুপ্রিন্ট হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। বাংলাদেশের এ আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে ভারত সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ভারত বাংলাদেশকে কেবল প্রতিবেশী হিসেবেই নয়, বরং প্রকৃত উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে দেখে। তাই আমরা এ পথচলায় একসঙ্গে এগিয়ে যাব। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক চিরজীবী হোক।


