জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করতে যাচ্ছে সরকার। এ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়েছে আনুষ্ঠানিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে এ সম্মাননা প্রদান করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সমাজসেবা এবং পরিবেশ সংরক্ষণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য এবারের পুরস্কারপ্রাপ্তদের নির্বাচন করা হয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় এই সম্মাননা প্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, যিনি স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রে অবদানের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সংগীত, ক্রীড়া, গবেষণা ও জনপ্রশাসনসহ নানা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আরও ১৪ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে এ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানিক পর্যায়েও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে এবার স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হবে। মুক্তিযুদ্ধ, চিকিৎসা, পল্লী উন্নয়ন ও সমাজসেবায় বিশেষ ভূমিকার জন্য এসব প্রতিষ্ঠানকে নির্বাচন করা হয়েছে।
স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় সম্মাননা হিসেবে বিবেচিত হয়। ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এ পুরস্কার প্রদান করে আসছে সরকার। পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের প্রত্যেককে ৫ লাখ টাকা, ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণপদক, একটি রেপ্লিকা ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়। এই আয়োজনের মাধ্যমে দেশের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, ত্যাগ ও অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশগঠনে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যও প্রতিফলিত হয়।


