ইন্টারনেট বন্ধসহ বিভিন্ন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, অপরাধকে বৈধতা দিতেই নির্বাচন কমিশন (ইসি) অন্ধকার পথে হাঁটছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর ঈদগাহ মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির। নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিনে আয়োজিত এই জনসভায় মাঠজুড়ে ব্যাপক জনসমাগম দেখা যায়।
ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেন, একটি বিশেষ পক্ষ নির্বাচনে পরাজয়ের আশঙ্কায় পুরো প্রক্রিয়াকে অপহরণ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, ভয় পেয়ে চোরাপথে এগিয়ে গেলে জনগণ তা মেনে নেবে না। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে তিনি সতর্ক করে বলেন, কোনো অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপ জনগণ প্রতিহত করবে।
একই জনসভায় বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি নির্বাচন কমিশনকে হুঁশিয়ার করে বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত আজ সন্ধ্যার মধ্যে পরিবর্তন না করা হলে আগামী দিন নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করা হবে।
জনসভায় সভাপতির বক্তব্য দেন ঢাকা-১৩ আসনের প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে মোহাম্মদপুরকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, এই আসনে একটি রাজনৈতিক দল অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়েছে।
মামুনুল হক আরও প্রতিশ্রুতি দেন, নির্বাচিত হলে মোহাম্মদপুরে নারীদের জন্য একটি নিরাপদ পার্ক নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি ভোটাধিকার নিয়ে ষড়যন্ত্র হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আবারও মাঠে নামার ঘোষণা দেন তিনি।নির্বাচনের শেষ পর্যায়ের উত্তাপে মোহাম্মদপুরের এই জনসভা ১১ দলীয় ঐক্যের শক্তি প্রদর্শনে রূপ নেয় বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।


