গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রতারকরা নিজেদের ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীর সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারা হঠাৎ কোনো জরুরি সমস্যা সমাধানের কথা বলে স্ক্রিন শেয়ার করতে বলেন। ব্যবহারকারী একবার অনুমতি দিলেই প্রতারকরা সহজেই দেখতে পায় তার ফোনে থাকা সবকিছু- ব্যাংক অ্যাপ্লিকেশন, লগইন তথ্য, ওটিপি, এমনকি মেসেজ ও টাইপ করা প্রতিটি অক্ষর পর্যন্ত।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতারকরা মানুষের বিশ্বাস ও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতাকে কাজে লাগায়। অনেকে না বুঝেই স্ক্রিন শেয়ার করে বসেন এবং সেখান থেকেই শুরু হয় বড় ধরনের ক্ষতি।
যদিও অনেক ব্যাংক অ্যাপে স্ক্রিন রেকর্ডিং বন্ধ রাখার সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকে, তবে স্ক্রিন শেয়ারিং চালু হলে সেটিও কার্যকর থাকে না।
১. ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নামে কল এলে পরিচয় নিশ্চিত করুন
২. হোয়াটসঅ্যাপে স্ক্রিন শেয়ার করবেন না, বিশেষ করে আর্থিক লেনদেনের সময়
৩. অজানা অ্যাপ ইনস্টল করা থেকে বিরত থাকুন
৬. সন্দেহজনক নম্বর রিপোর্ট করুন
হোয়াটসঅ্যাপের স্ক্রিন-শেয়ার ফিচার চালুর পর বাড়ছে ঝুঁকি


