আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ৪০ হাজার বডি ক্যামেরা ব্যবহার করবে। এই সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে বডিক্যাম সংগ্রহ প্রক্রিয়া দ্রুতগতিতে চলছে এবং এর মাধ্যমে ভোটগ্রহণের সময় নিরাপত্তা জোরদার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
গত শনিবার ঢাকার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের এক সভায় বডিক্যাম ব্যবহারের বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বকস চৌধুরী ও ফয়েজ তৈয়ব আহমেদ এই সভায় উপস্থিত ছিলেন।
সরকার জার্মানি, চীন ও থাইল্যান্ডের তিনটি কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে বডিক্যাম সংগ্রহের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করেছে। এই ক্যামেরাগুলো নির্বাচনের সময় পুলিশ অফিসার ও কনস্টেবলদের বুকে পরানো হবে, যার ফলে ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা ও নজরদারি অনেক বেশি কার্যকর হবে। বিশেষ সহকারী ফয়েজ তৈয়ব আহমেদ জানান, ক্যামেরাগুলোর সংগ্রহ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং অক্টোবর মাসের মধ্যে তা সম্পন্ন করতে চায় সরকার।
বডিক্যাম ব্যবহারের পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীর জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে যাতে তারা ডিভাইসের এআই প্রযুক্তিসহ সকল বৈশিষ্ট্য দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করতে পারেন। প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস নিরাপত্তার এই ব্যবস্থা দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন এবং বলেন, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার জন্য সকল প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
সেই সঙ্গে, আসন্ন নির্বাচনের তথ্য সরবরাহ এবং অভিযোগ দাখিলের জন্য একটি নির্বাচনী মোবাইল অ্যাপ চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন, ১০ কোটি ভোটারকে সেবাগুলো সহজে পৌঁছে দেওয়ার জন্য অ্যাপটি ব্যবহার-বান্ধব ও কার্যকরী করতে হবে।


