বর্তমান বাজারে সয়াবিন তেল ও চালের দাম অত্যধিক বেড়েছে, পাশাপাশি মসলার বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। তবে, সবজির বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা রয়েছে, যদিও কিছু সবজির দাম বেড়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। বাজারে মিনিকেট ও নাজিরশাইলসহ চিকন চালের দাম প্রতি কেজিতে ৮০ থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে, যা গত এক মাসে কেজি প্রতি ৫ থেকে ৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি, মোটা ও মাঝারি চালের দামও বেড়েছে। বর্তমানে এক কেজি মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৪ থেকে ৫৮ টাকায়, এবং মাঝারি ধরনের ব্রি-২৮ ও ব্রি-২৯ চালের দাম ৬০-৬৬ টাকা পর্যন্ত হয়েছে।
এদিকে, সয়াবিন তেলের বাজার এখনো স্বাভাবিক হয়নি। এক মাস আগে তেলের দাম বাড়ানোর পরেও সরবরাহের সমস্যার কারণে তেল পেতে কষ্ট হচ্ছে ক্রেতা ও খুচরা বিক্রেতাদের। ৯ ডিসেম্বর সরকার তেলের দাম বাড়ানোর পর বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ১৭৫ টাকা এবং খোলা তেলের দাম ১৫৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তবে, কোম্পানিগুলো এখনো বাজারে তেল সরবরাহে কোনো স্থিতিশীলতা আনে নি। অনেক বিক্রেতাই অভিযোগ করছেন যে, অগ্রিম টাকা দিয়েও তেল পাচ্ছেন না, এবং একাধিক পণ্য না কিনলে তেল দেওয়া হচ্ছে না।
মসলার বাজারেও মূল্যবৃদ্ধি দেখা গেছে। শুকনা মরিচ, জিরা, ছোট এলাচির দাম কেজিতে ৫০ টাকা এবং ২০০ টাকা বেড়েছে। একইভাবে, সবজির বাজারেও দাম বাড়ছে, বিশেষ করে করলা, ভেন্ডি, চিচিঙ্গা, সিমসহ বেশ কিছু সবজির দাম বেড়েছে। তবে আলুর দাম কিছুটা কমেছে, যা গত সপ্তাহের ৩০ টাকা থেকে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মুরগি ও ডিমের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায় এবং দেশি মুরগির দাম কেজি প্রতি ৫৮০ টাকা।এই অবস্থায়, বাজারে ক্রেতাদের অসন্তোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য নানা ধরনের উদ্যোগের প্রস্তাব উঠেছে।


