যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনে সাতটি সুইং স্টেট বা দোদুল্যমান রাজ্যের (যা ব্যাটলগ্রাউন্ড হিসেবে পরিচিত) প্রভাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই রাজ্যগুলো হলো: জর্জিয়া, নর্থ ক্যারোলাইনা, পেনসিলভানিয়া, মিশিগান, উইসকনসিন, নেভাদা, এবং অ্যারিজোনা।
বর্তমান জনমত জরিপ অনুযায়ী, ট্রাম্প জর্জিয়া, অ্যারিজোনা এবং নর্থ ক্যারোলাইনা রাজ্যে এক থেকে তিন পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। অন্যদিকে, পেনসিলভানিয়া এবং নেভাদাতেও তিনি সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে। তবে মিশিগান ও উইসকনসিনে কমলা হ্যারিস এগিয়ে আছেন।
জাতীয় পর্যায়ে ট্রাম্প ৪৮ শতাংশ ভোটের বিপরীতে ৪৭ শতাংশ ভোট পেয়ে পিছিয়ে রয়েছেন। নির্বাচনে জয়ী হতে হলে একজন প্রার্থীর অন্তত ২৭০টি ইলেকটোরাল ভোট অর্জন করতে হবে, যা যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি রাজ্যের ৫৩৮টি ইলেকটোরাল ভোটের মধ্যে নির্ধারিত হয়।
সুইং স্টেটগুলোর মধ্যে পেনসিলভানিয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে ১৯টি ইলেকটোরাল ভোট রয়েছে। জর্জিয়া ও নর্থ ক্যারোলাইনা উভয়েই ১৬টি, মিশিগানে ১৫টি, উইসকনসিনে ১০টি, নেভাদায় ৬টি এবং অ্যারিজোনায় ১১টি ইলেকটোরাল ভোট রয়েছে।
এদিকে, নির্বাচনী প্রচারণা এবং ভোটারদের মনোভাব পরিবর্তন হতে পারে এমন সম্ভাবনা থাকায়, এই রাজ্যগুলোতে মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীদের জন্য প্রচারণার গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুইং স্টেটগুলোতে প্রতিটি ভোট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে, কারণ এটি নির্বাচনের ফলাফলকে মৌলিকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।


