ঢাকায় চীনা দূতাবাসে গণঅধিকার পরিষদের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। বুধবার সকাল ১১টায় শুরু হওয়া এ বৈঠক চলে প্রায় দেড় ঘণ্টা। বৈঠকে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান, উচ্চতর পরিষদ সদস্য আরিফুল ইসলাম এবং আন্তর্জাতিক সম্পাদক খায়রুল আমিন উপস্থিত ছিলেন। চীনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন ছাড়াও দূতাবাসের দুইজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে চীনের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তরুণদের সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে তরুণ নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ সময় তরুণ নেতৃত্বকে উৎসাহিত করতে এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করতে চীন সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করবে বলে আশ্বাস দেন। রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশ চীনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। দেশটির উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় চীন পাশে থাকতে চায়। তিনি বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আগামী জাতীয় নির্বাচন এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে গণঅধিকার পরিষদের ভাবনা জানতে চান।
গণঅধিকার পরিষদের নেতারা বৈঠকে তাঁদের দলের সংস্কার পরিকল্পনা এবং আগামী নির্বাচন বিষয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন। তারা বলেন, বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে জনগণের মতামত এবং তরুণদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা জরুরি।
বৈঠকে চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, চীন সব রাজনৈতিক দল ও অংশীজনদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী। এ সময় গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের এবং অন্যান্য আগ্রহীদের চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান তিনি।
বৈঠক শেষে গণঅধিকার পরিষদের নেতারা জানান, বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চীনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার যে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, তা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


