কানাডার টরন্টোর কাছে ব্র্যাম্পটনে একটি হিন্দু মন্দিরে সম্প্রতি সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা দেশটিতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। ভারতীয় হাই কমিশন ঘটনাটিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক হিসেবে উল্লেখ করেছে এবং ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে। তারা জানিয়েছে, এই ধরনের হামলা কনসুলেটের ক্যাম্পে ঘটাটা হতাশাজনক।
এই ঘটনায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো মন্দিরে সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছেন এবং इसे ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন। ব্র্যাম্পটনের ওই হিন্দু সভা মন্দিরে ঘটনার পর ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সংঘর্ষের সময় কিছু পুরুষ মন্দিরের গেট ভেঙে ভক্তদের ওপর হামলা চালায়, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে।
পিল আঞ্চলিক পুলিশের মুখপাত্র জানান, এই ঘটনায় এখনও কাউকে আটক করা হয়নি এবং পুলিশ দোষারোপ করার ক্ষেত্রে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। ট্রুডোর লিবারেল পার্টির সদস্যরা দাবি করেছেন যে, চরমপন্থিরা কানাডার রাজনৈতিক কাঠামো ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোতে প্রবেশ করেছে। তারা হিন্দু-কানাডিয়ানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
ব্র্যাম্পটনের মেয়র প্যাট্রিক ব্রাউন দোষীদের জন্য আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন, এবং টরন্টোর এমপি কেভিন ভুয়ং বলেছেন, কানাডা এখন উগ্রপন্থিদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয়ে পরিণত হয়েছে। তিনি দাবি করেছেন, আমাদের নেতারা হিন্দুদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হচ্ছেন এবং সবাইকে শান্তিতে উপাসনা করার অধিকার আছে।
এই হামলার প্রেক্ষাপটে, কানাডার মুসলিম এবং শিখ সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ছে। কিছু হিন্দু নেতারা শিখ কর্মীদের ওপর দোষারোপ করেছেন। যদিও ঘটনাটি এখনও তদন্তাধীন, তবে এর প্রভাব হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক সম্পর্কের উপর পড়তে পারে। কানাডার রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ধরনের হামলা নতুন উদ্বেগের জন্ম দিচ্ছে, যা সরকারের উচিত দ্রুত সমাধান করা।


