শেয়ার বাজার তালিকাভুক্ত গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে উত্তোলিত অর্থের উল্লেখযোগ্য অংশ এখনো অব্যবহৃত রয়েছে। এ কারণে এ অর্থ ব্যয়ের সময়সীমা আরো দুই বছর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংকটির শেয়ারহোল্ডাররা।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়। তবে এটি কার্যকর হতে হলে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন লাগবে।
তথ্যানুসারে, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ২০২২ সালের ৯ নভেম্বর আইপিওর মাধ্যমে ৪২৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। এর মধ্যে এ বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রায় ৭৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে। ব্যাংকের পর্ষদ এ অর্থ ব্যয়ের সময়সীমা ২০২৬ সালের ৯ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। পাশাপাশি আইপিও-সংক্রান্ত খরচের অবশিষ্ট ৩১ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে (এসএমই) স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়।
অর্থনৈতিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১৬ টাকা ৫৬ পয়সা। এর মধ্যে দ্বিতীয় প্রান্তিকে লোকসান দাঁড়ায় ৯ টাকা ৬ পয়সা। আগের বছরে একই সময়ে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় ছিল ১৬ পয়সা।
এর আগে ২০২৪ হিসাব বছরে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি। ঐ বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয় ১২ টাকা ৬২ পয়সা। ২০২৩ সালে ব্যাংকটি প্রথমে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করলেও পরবর্তীতে আর্থিক প্রতিবেদন সংশোধনের পর লোকসানের কারণে তা বাতিল করা হয়।
রেটিং এজেন্সি আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেডের সর্বশেষ মূল্যায়নে ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি সার্ভিলেন্স রেটিং ‘ডাবল এ মাইনাস’ এবং স্বল্পমেয়াদি রেটিং ‘এসটি টু’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।


