ব্র্যাক ব্যাংক চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে (জানুয়ারি–জুন) সমন্বিত কর-পরবর্তী নিট মুনাফায় (এনপিএটি) ৫৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। ব্যাংকের সমন্বিত আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে নিট মুনাফা দাঁড়িয়েছে ৯০৬ কোটি টাকায়, যা ২০২৪ সালের একই সময়ের ৫৯১ কোটি টাকার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এককভাবে (স্ট্যান্ডঅ্যালন) ব্যাংকের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৬২০ কোটি টাকা, যা আগের বছরের ৫১৯ কোটি টাকার তুলনায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। ব্যাংক চ্যালেঞ্জিং অর্থনৈতিক পরিবেশ সত্ত্বেও মার্কেটের গড় প্রবৃদ্ধির চেয়ে বেশি হারে ব্যালেন্স শিট বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছে। ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে গ্রাহক আমানত ২৮ শতাংশ এবং গ্রাহক ঋণ ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সমন্বিত শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৩.৫৬ টাকায় উন্নীত হয়েছে, যা ২০২৪ সালের প্রথমার্ধে ছিল ২.৬২ টাকা। সমন্বিত শেয়ারপ্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৪২.৬০ টাকা। একক আমানত ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় ১৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি কৌশল এবং গ্রাহক আস্থার প্রমাণ।
২০২৫ সালের প্রথমার্ধে ব্যাংকের সমন্বিত রিটার্ন অন ইক্যুইটি (ROE) এবং রিটার্ন অন অ্যাসেট (ROA) যথাক্রমে ১৭.৩৬ শতাংশ এবং ১.২৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। সমন্বিত মোট আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে সুদ আয়ের পাশাপাশি নন-ফান্ডেড আয়ের অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। খেলাপি ঋণের হার ৩.৩৭ শতাংশে স্থিতিশীল রয়েছে।
ব্র্যাক ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও (কারেন্ট চার্জ) তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “এই সাফল্য গ্রাহক, সমাজ ও দেশের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতির পরিচায়ক। উদ্ভাবন ও সক্ষমতার মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখতে থাকব। আমাদের ধারাবাহিক সাফল্যের পেছনে গ্রাহক আস্থা, পরিচালনা পর্ষদের নির্দেশনা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তা রয়েছে।”


