ভারতের ভিসা আবেদনের ইউআরএল – আবেদন লিংক। অনলাইনে এই ঠিকানায় প্রবেশ করে আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে। সঠিকভাবে পূরণের পর ভিসা আবেদন ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে। এরপর অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বুক করতে হবে।
আপলোড করা ওয়েবফাইল অবশ্যই মূল ভিসা আবেদনপত্রের পিডিএফ হতে হবে এবং ৩০ দিনের বেশি পুরোনো হওয়া চলবে না। পরিবর্তিত, সম্পাদিত বা বিকৃত ফাইল বাতিল করা হবে।
ভিসার জন্য যেসব ডকুমেন্ট লাগবে
ভিসা আবেদনের সঙ্গে বেশকিছু ডকুমেন্ট বা কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
১. ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার সময় ছয় মাস মেয়াদসহ মূল পাসপোর্ট কমপক্ষে দুটি খালি পৃষ্ঠা থাকতে হবে। পাসপোর্টের কপি (প্রথম ৪ পাতা এবং মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন যদি থাকে) সঙ্গে দিতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার সঙ্গে পুরোনো সব পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।
২. পূর্ণ মুখমণ্ডল দেখা যায় এমন সাম্প্রতিক তোলা (৩ মাসের অধিক পুরোনো নয়) পাসপোর্ট সাইজ (২x২) রঙিন ছবি।
৩. জন্ম তারিখের প্রমাণ: জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি।
৪. আবাসন প্রমাণ: ইউটিলিটি বিল যেমন ইলেকট্রিসিটি, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিল (ছয় মাসের অধিক পুরোনো নয়)।
৫. পেশার প্রমাণ: যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন সেখানকার নিয়োগকর্তার চিঠি। ছাত্রদের ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র সংগ্রহজনক করতে হবে। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স লাগবে।
৬. আর্থিক স্বচ্ছতার প্রমাণ: প্রতিটি আবেদনপত্রের সঙ্গে ১৫০ ডলার সমমূল্যের বিদেশি মুদ্রা এনডোর্স বা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের কপি বা পর্যাপ্ত ব্যালান্স দেখানোর প্রয়োজনে হালনাগাদ ব্যাংক স্টেটমেন্ট।
৭. রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ অনলাইন ভিসা আবেদনপত্র।
৮. অনলাইন ভিসা আবেদনপত্রের প্রদত্ত জায়গায় আবেদনকারীর ছবি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
৯. ভিসা আবেদনপত্রের সঙ্গে পুরোনো সব পাসপোর্ট জমা দিতে হবে, এসব ছাড়া ভিসা আবেদন অসম্পূর্ণ বলে গণ্য হবে।
ভিসা ফি
পর্যটন ভিসায় ফি নেই। তবে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ একটি চার্জ আছে। সব ধরনের ভিসা প্রক্রিয়াকরণের জন্য আইভ্যাক ১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে থাকে। এটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং করার সময় অনলাইনে পেমেন্ট করতে হয়।
পাসপোর্ট কীভাবে ফেরত পাবেন
আপনার ভিসা প্রক্রিয়াকরণ হয়ে গেলে আবেদনের সঙ্গে দেওয়া মোবাইল নম্বরে একটি এসএমএস দিয়ে জানানো হবে। সেই অনুযায়ী আপনাকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।


