শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসির পর্ষদ সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে পপুলার লাইফের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৮০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৮০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ৯২ টাকা ৬৮ পয়সায়।
২০২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পরিচালনা পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল ৩ টাকা ৮০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৭৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১০৯ টাকা ১৫ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১০৮ টাকা ৯০ পয়সা।
এর আগে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরেও শেয়ারহোল্ডারদের ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল কোম্পানিটি। ২০১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স। ২০১৮ হিসাব বছরের জন্য ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। ২০১৭ হিসাব বছরেও ৪০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় তারা। এছাড়া ২০১৬ ও ২০১৭ হিসাব বছরে ৪০ শতাংশ হারে নগদ এবং ২০১৩ ও ২০১৪ হিসাব বছরে ৪০ শতাংশ হারে স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানির শেয়ারহোল্ডাররা।
২০০৫ সালে পুঁজিবাজারে আসা কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৬০ কোটি ৪২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৬ কোটি ৪ লাখ ২৮ হাজার ৩৫৮। এর ২৩ দশমিক ৭০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া ২৪ দশমিক ৫৭ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও ৫১ দশমিক ৭৩ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।
ডিএসইতে গত বৃহস্পতিবার পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের শেয়ার সর্বশেষ ৬২ টাকা ৩০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ৩৬ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ও ৬৭ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে।


