হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে Iran-কে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর সময়সীমা শেষ হওয়ার পথে। তবে সময়সীমা ঘনিয়ে আসার আগেই এশিয়ার কয়েকটি দেশ তাদের জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে তেহরানের সঙ্গে পৃথক সমঝোতায় পৌঁছেছে।
সোমবার ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, মঙ্গলবার রাত ৮টা (গ্রিনিচ সময় মধ্যরাত) এর মধ্যে প্রণালি পুনরায় চালু করতে ইরান কোনো চুক্তিতে না এলে যুক্তরাষ্ট্র ‘এক রাতেই’ দেশটিকে ধ্বংস করে দিতে পারে।
এমন পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় জ্বালানির ওপর নির্ভরশীল দেশগুলো দ্রুত কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করে। Pakistan, India, Philippines, China ও Malaysia ইতোমধ্যে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে।
ফিলিপাইন সর্বশেষ দেশ হিসেবে ইরানের কাছ থেকে আশ্বাস পেয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ফিলিপাইন পতাকাবাহী জাহাজের জন্য হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ ও বাধাহীন চলাচল নিশ্চিত করা হবে। পাকিস্তানও জানায়, তাদের ২০টি জাহাজকে প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান।
ভারতের ক্ষেত্রেও একই ধরনের আশ্বাস দিয়েছে তেহরান। আর চীন নিশ্চিত করেছে, সমন্বয়ের মাধ্যমে তাদের কয়েকটি জাহাজ ইতোমধ্যে প্রণালি অতিক্রম করেছে। মালয়েশিয়াও তাদের কিছু ট্যাংকার চলাচলের অনুমতি পাওয়ার কথা জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও Israel-এর হামলার জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার হুমকি দিলে বৈশ্বিক উত্তেজনা বাড়ে। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ জ্বালানি এই নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় এতে বিঘ্ন ঘটলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব সমঝোতা সাময়িক স্বস্তি দিলেও সংকটের স্থায়ী সমাধান নয়। নিরাপত্তা নিশ্চয়তা কতদিন কার্যকর থাকবে এবং সব জাহাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে কি না—তা এখনও অনিশ্চিত।


