রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্তে দেশের নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। বুধবার (২৫ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তিনি নিজেই, যা ইতোমধ্যে আইন অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে আইন পেশায় সক্রিয় থাকা রুহুল কুদ্দুস কাজল দেশের উচ্চ আদালতে একজন অভিজ্ঞ ও পরিচিত মুখ। সংবিধান, ফৌজদারি এবং প্রশাসনিক আইনে তার কাজের অভিজ্ঞতা তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে এগিয়ে রেখেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সরকারের পক্ষে আদালতে আইনি ব্যাখ্যা ও পরামর্শ দেওয়ার প্রধান দায়িত্ব এ পদটির ওপরই বর্তায়।
ব্যারিস্টার কাজল বর্তমানে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একইসঙ্গে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য হিসেবেও যুক্ত আছেন। এর আগে তিনি সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আইনজীবীদের মধ্যে নেতৃত্বের দক্ষতা দেখিয়েছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে আইন পেশায় যুক্ত হয়ে ধীরে ধীরে নিজের অবস্থান শক্ত করেন। ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মাধ্যমে তার পেশাগত যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শুরু হয়।
আইনজীবী হওয়ার আগে কিছু সময় সাংবাদিকতাতেও যুক্ত ছিলেন তিনি, যা তার বিশ্লেষণধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে সহায়ক হয়েছে বলে মনে করা হয়। নতুন দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে তিনি দেশের বিচারব্যবস্থায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট মহলের। আইন অঙ্গনের অনেকেই মনে করছেন, তার অভিজ্ঞতা ও পেশাগত দক্ষতা রাষ্ট্রের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ আইনি লড়াইগুলোতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।


