পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাতকে কেন্দ্র করে রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এ বছর সেখানে একসঙ্গে নামাজ আদায় করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ফলে পুরো এলাকায় বহুমাত্রিক নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার। তিনি জানান, নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের শঙ্কা নেই এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে।
তিনি বলেন, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি থাকবে। পাশাপাশি স্থাপন করা হয়েছে একাধিক ওয়াচ টাওয়ার, যেখান থেকে পুরো এলাকা পর্যবেক্ষণ করা হবে। ঈদগাহের চারপাশে তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে এবং প্রবেশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট গেট ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নারীদের জন্য রাখা হয়েছে আলাদা প্রবেশপথ।
ঈদগাহে আগত মুসল্লিদের জন্য কিছু নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। জায়নামাজ, ছাতা ও মোবাইল ফোন সঙ্গে আনা যাবে, তবে ব্যাগ বা কোনো দাহ্য বস্তু আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এতে নিরাপত্তা ঝুঁকি কমবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আশপাশের কয়েকটি এলাকায় ট্রাফিক ডাইভারশন দেওয়া হবে। জিরো পয়েন্ট, দোয়েল চত্বর, মৎস্য ভবন ও সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ ট্রাফিক ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে।
ডিএমপি সূত্র জানায়, জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে আটটায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে মোট ১২১টি ঈদগাহ মাঠ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ-এ পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে জাতীয় ঈদগাহের পরিবর্তে সকাল ৯টায় বায়তুল মোকাররমে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানানো হয়েছে।


