আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে নির্বাচনি প্রচার–প্রচারণায় সমতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিশেষ করে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও দেশের সব বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সব প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংস্থাটি।
বুধবার নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ অধিশাখা থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়। ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ সব বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে নির্বাচনি প্রচার–প্রচারণায় সকল প্রার্থীর প্রতি সমান সুযোগ নিশ্চিতকরণ প্রসঙ্গে’ শীর্ষক ওই বিবৃতিতে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান তুলে ধরা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য একটি ইতিবাচক ও ভারসাম্যপূর্ণ নির্বাচনি পরিবেশ সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলগুলো তথ্য ও মতামত প্রচারের সময় যদি সব প্রার্থীর প্রতি সমান আচরণ নিশ্চিত করে, তবে তা নির্বাচনকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে।
নির্বাচন কমিশন জানায়, আসন্ন নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে আয়োজিত সাক্ষাৎকার, টকশো, নির্বাচনি সংলাপ কিংবা বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচারের সময় রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা প্রয়োজন। কোনো একটি দল বা প্রার্থী যেন অতিরিক্ত প্রচারের সুযোগ না পায় এবং অন্যরা বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার কথা বলা হয়েছে।
এ ছাড়া বিবৃতিতে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫-এর বিধান উল্লেখ করে বলা হয়, নির্বাচনি সংলাপে অংশগ্রহণের সময় কোনো প্রার্থী বা দলের প্রতিনিধি ব্যক্তিগত আক্রমণ বা কটুক্তিমূলক বক্তব্য দিতে পারবেন না। কমিশনের পক্ষ থেকে সব টেলিভিশন চ্যানেলকে এসব নির্দেশনা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।


