রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সম্ভাব্য পদত্যাগকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা তীব্র হয়েছে। একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণ দেখিয়ে তিনি আজ অথবা আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখনো সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ কার্যকর হলে সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে। বর্তমানে সেপ্টেম্বরে সংসদের অধিবেশন বসার প্রস্তুতি চলছে এবং ওই অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
সংসদ সচিবালয় ও বঙ্গভবনের একাধিক সূত্রের ভাষ্য, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র প্রস্তুত রয়েছে। তবে স্পিকার দেশের বাইরে থাকায় তা জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হয়েছিল। চিকিৎসা সফর সংক্ষিপ্ত করে স্পিকারের দেশে ফেরার পর বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে।
এদিকে রাষ্ট্রপতির সম্ভাব্য পদত্যাগের কারণ নিয়েও নানা আলোচনা চলছে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, শারীরিক অসুস্থতার পাশাপাশি সাম্প্রতিক কিছু রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক বিষয়ও এ সিদ্ধান্তের পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এসব বিষয়ে সরকার বা রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। বিভিন্ন সময়ে তিনি প্রয়োজন হলে দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার ইচ্ছার কথাও প্রকাশ করেছিলেন। এখন তাঁর সম্ভাব্য পদত্যাগ এবং নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়টি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অন্যতম আলোচিত ইস্যু হয়ে উঠেছে।


