রাজধানীর খুচরা বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেশ কয়েকটি সবজির দাম কমেছে। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও ডাল, চিনি ও লবণের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি সেই স্বস্তিকে অনেকটাই ম্লান করে দিয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, পর্যাপ্ত সরবরাহের কারণে অধিকাংশ সবজির দাম কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিভিন্ন জেলা থেকে সবজি আসার পরিমাণ বেড়েছে। ফলে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় দামও কিছুটা কমেছে।
বর্তমানে বেগুন, করলা, পটল, ঝিঙে, শসা ও ঢ্যাঁড়সসহ বেশ কয়েকটি সবজির দাম আগের তুলনায় কমেছে। ক্রেতারা বলছেন, সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি মিললেও অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সংসারের ব্যয় কমছে না।
অন্যদিকে, ডাল ও চিনির বাজারে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। গত এক সপ্তাহে মুগ ডালের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। একই সঙ্গে কেজিপ্রতি চিনির দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। লবণের পাইকারি দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, পাইকারি বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণেই খুচরা পর্যায়ে দাম সমন্বয় করতে হচ্ছে। তারা বলছেন, সরবরাহ ও আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে কিছু পণ্যের দাম বাড়ছে, যা সরাসরি ভোক্তাদের ওপর প্রভাব ফেলছে।
বাজারে কেনাকাটা করতে আসা অনেক ক্রেতার অভিযোগ, একটি পণ্যের দাম কমলেও অন্যটির দাম বেড়ে যাওয়ায় সামগ্রিকভাবে ব্যয় কমছে না। বিশেষ করে ডাল ও চিনির মতো প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য বাড়তি চাপ তৈরি করছে।
এদিকে মুরগির বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি। ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে সরবরাহ বাড়ায় লেয়ার মুরগির দামে কিছুটা স্বস্তি এসেছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।


