গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই করতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে জনবান্ধব ও জবাবদিহিমূলক করে তুলতে সরকার নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংকট কাটিয়ে দেশ এখন উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রগতির নতুন ধারায় প্রবেশ করেছে। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
দেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদার করতে হবে। এ জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ও আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ একটি বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে।
তরুণ সমাজকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে সরকার শিক্ষা, প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। যুবসমাজকে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও আর্থিক সহায়তা কার্যক্রম চালু রয়েছে। তিনি মনে করেন, তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়লে দেশের অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।
অনুষ্ঠানে তিনি দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে নিরাপত্তা বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং গ্রামীণ উন্নয়নে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর অবদানও তুলে ধরেন।
জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণ ছাড়া কোনো উন্নয়ন কার্যক্রম সফল হতে পারে না। তাই সরকার সবসময় জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। তিনি দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও শান্তি বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।


