নৌ পরিবহণ মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান জানিয়েছেন, আসন্ন ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক যাত্রা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন, যাতে ঘরমুখো মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দিবাগত রাতে যমুনা সেতু এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে মহাসড়কে তেমন কোনো যানজট দেখা যাচ্ছে না এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, গার্মেন্টস খাতের ছুটি শুরু হওয়ার পরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং ঈদযাত্রা হবে স্বস্তিদায়ক।
তিনি আরও বলেন, যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে পরিবহন মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে ভাড়া ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে প্রতিটি নৌযানে নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া বা অনিয়ম সংক্রান্ত কোনো বড় অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলেও জানান তিনি। তবে কোনো অনিয়মের খবর পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন প্রতিমন্ত্রী।
নৌপথ সচল রাখতে সরকারের পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি। রাজিব আহসান বলেন, যমুনা নদীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলোর নাব্যতা রক্ষায় নিয়মিত খনন কার্যক্রম চালানো হবে। পাশাপাশি খাল ও নদীগুলোর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে, যাতে সড়ক ও রেলপথের পাশাপাশি নৌপথও কার্যকর থাকে। এ সময় স্থানীয় প্রশাসন, প্রকৌশল বিভাগ ও পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা জানান, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত থাকবে।


