তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে নতুন সরকারের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে গতি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়-এর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক। সদ্যগঠিত মন্ত্রিসভার সদস্যরা বৈঠকে উপস্থিত থেকে সরকারের অগ্রাধিকার কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং চলমান উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং কর্মসংস্থান সম্প্রসারণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়কে আগামী ১০০ দিনের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৈঠক শেষে বেলা পৌনে ১১টার দিকে প্রধানমন্ত্রী সচিবালয় থেকে রওনা হয়ে যান ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন-এ, যেখানে আয়োজিত হয় ‘একুশে পদক-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠান। রাষ্ট্রীয় এই সম্মাননায় চলতি বছর ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং একটি প্রতিষ্ঠানকে অবদানের স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্য, উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা, কূটনীতিক এবং বিভিন্ন অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত ছিলেন।
এদিন দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন অমর একুশে বইমেলা ২০২৬। ‘বহুমাত্রিক বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এবারের বইমেলা চলবে আগামী ১৫ মার্চ পর্যন্ত। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানজুড়ে মেলার আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। প্রকাশনা সংস্থাগুলো নতুন বই নিয়ে ইতোমধ্যে স্টল সাজাতে ব্যস্ত সময় পার করছে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে বইমেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তরুণ প্রজন্মকে বইপাঠে উৎসাহিত করতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত কর্মদিবস শেষ হয়।


