নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ সোমবার বলেছেন, ঋণখেলাপি, দ্বৈত নাগরিকত্ব বা অন্য কোনো বিষয় গোপন রেখে যদি কোনো প্রার্থী এবারের নির্বাচনে পার পেয়ে যায়, তা প্রমাণিত হলে ভোটের পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি একান্ত সাক্ষাৎকারে ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে কোনো আপস হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন।
নিজ দফতরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসি মাছউদ বলেন, “এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ স্বাভাবিক রয়েছে এবং আমরা কোনো রাজনৈতিক চাপ অনুভব করছি না। ভোটের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে আমরা দৃঢ়ভাবে অবস্থান নিয়েছি। প্রার্থীরা যাতে আইন ও নিয়ম মেনে অংশগ্রহণ করে, তা আমাদের জন্য অগ্রাধিকার।”
তিনি ভোটারদেরও আহ্বান জানান, তারা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটের অধিকার প্রয়োগ করুন। ইসি আরও বলেন, “রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কোনো চাপ নেই এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার জন্য সকলের জন্য সমান সুযোগ রাখা হয়েছে। বর্তমানে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।”
এ সময় তিনি জাতীয় পার্টি সম্পর্কেও মন্তব্য করেন। ইসি বলেন, “জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনের বাইরে রাখার কোনো সুযোগ নেই। তাদের নিবন্ধন বহাল রয়েছে এবং আইন অনুযায়ী তারা ভোটে অংশগ্রহণ করতে পারবে।”
ইসি মাছউদ আরও জানান, প্রবাসীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের সময় আচরণবিধি ভঙ্গ করলে দায় তাদেরই। এছাড়া ভোট পর্যবেক্ষণে কেন্দ্রীয়ভাবে ৭৯৯৭ জন ও স্থানীয়ভাবে ৪৭৪৫৭ জন দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ ভোটাধিকার প্রয়োগে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। ইসি পুনরায় নিশ্চিত করেন যে, ভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনায় কমিশন কোনো আপস করবে না।


