আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি ২০২৬ সালের বার্ষিক ক্যালেন্ডার ‘সাসটেইনেবিলিটি ফর দ্যা পিপল অ্যান্ড প্ল্যানেট’ থিমে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করেছে। অনুষ্ঠানটিতে উপস্থিত ছিলেন আইপিডিসি’র অংশীদার, শুভানুধ্যায়ী এবং প্রতিষ্ঠানটির কর্মীবৃন্দ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটি তার সাসটেইনেবল ও গ্রিন ফাইন্যান্স উদ্যোগের মাধ্যমে ইএসজি লক্ষ্য অর্জন এবং দীর্ঘমেয়াদি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে অবদান রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। আইপিডিসি বার্ষিক ক্যালেন্ডার বছরের পর বছর ধরে একটি স্বতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ হিসেবে পরিচিত, যা দায়িত্বশীল অর্থায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরে।
২০২৬ সালের ক্যালেন্ডারে ১২টি প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার কার্যক্রম তুলে ধরা হয়েছে, যারা পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করছে। উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ, মুসপানা ফিলামেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং লিমিটেড, হাসিমুখ সমাজ কল্যাণ সংস্থা, রিগেল এনার্জি লিমিটেড, এম.এস.ই কাস্টিং পিলার কারখানা, বিসমিল্লাহ প্লাস্টিক সেন্টার, আমল ফাউন্ডেশন, ন্যাচারাল ফাইবারস, লক্ষণ জুট মিলস লিমিটেড, এমইপি লাইট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এ.কে.এন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাগ্রো ফার্ম অ্যান্ড ফিশারিজ এবং অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশন।
আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান দাউদ সামস বলেন, “সাসটেইনেবিলিটি আমাদের কাজের একটি অন্তর্নিহিত অংশ। আমরা সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স এবং সিএসআর উদ্যোগের মাধ্যমে প্রকৃত অর্থে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য ব্যবসায়িক অংশীদারদের সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
ব্র্যান্ড ও কর্পোরেট কমিউনিকেশন হেড সামিউল হাশিম বলেন, “এই ক্যালেন্ডার শুধু দায়িত্বশীল অর্থায়নের গুরুত্ব তুলে ধরে না, বরং কমিউনিটি ও পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবও তৈরি করে।” আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি বার্ষিক ক্যালেন্ডার উন্মোচনের মাধ্যমে আবারও তার টেকসই বিনিয়োগ, গ্রিন ফাইন্যান্স এবং সিএসআরভিত্তিক অংশীদারিত্বের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।


