দেশের বিজ্ঞাপনী ও সৃজনশীল যোগাযোগ শিল্পকে উদ্যাপন করে রাজধানীর লে মেরিডিয়ান হোটেলে সম্পন্ন হলো ১৪তম কমওয়ার্ড: এক্সিলেন্স ইন ক্রিয়েটিভ কমিউনিকেশন। এ বছর মোট ৩২টি ক্যাটাগরিতে ১৩৪টি ক্যাম্পেইনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। আয়োজনটি অনুষ্ঠিত হয় এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড-এর সৌজন্যে এবং ওয়ালটন গ্রুপের সঞ্চালনায়।
এবারের আসরে দুটি ক্যাম্পেইন গ্র্যান্ড প্রিক্স অর্জন করে। পাশাপাশি প্রদান করা হয় ৮টি গোল্ড, ৩৯টি সিলভার এবং ৮৫টি ব্রোঞ্জ অ্যাওয়ার্ড। ৮৭টি এজেন্সি, ব্র্যান্ড ও সংগঠনের জমা দেওয়া ১,৪১১টি মনোনয়নের মধ্য থেকে কঠোর দুই-ধাপের জুরি প্রক্রিয়ায় বিজয়ীরা নির্বাচিত হয়। ২৫০ জন অভিজ্ঞ জুরি সদস্য এ মূল্যায়ন পরিচালনা করেন।
বছরের পরিবর্তনশীল শিল্প–প্রবণতা বিবেচনায় এ বছর যুক্ত হয়েছে ছয়টি নতুন ক্যাটাগরি— বি-টু-বি, ক্রিয়েটিভ বিজনেস ট্রান্সফরমেশন, লং–টার্ম ব্র্যান্ড প্ল্যাটফর্ম, লাক্সারি, বেস্ট আনপাবলিশড ওয়ার্ক এবং ক্যাম্পেইন ফর পজিটিভিটি। নতুন ক্যাটাগরিগুলো আধুনিক বিজ্ঞাপনের নতুন চিন্তা, ব্যবসায়িক উদ্ভাবন এবং পজিটিভ স্টোরিটেলিংয়ের বিকাশকে প্রতিফলিত করে।
গ্রামীণ ডানোন ফুডস এবং ব্যাকপেজ পিআর-এর যৌথ ক্যাম্পেইন ‘উইমেন অ্যাট দ্য সেন্টার অব সাসটেইনেবিলিটি’ সাসটেইনেবিলিটি ক্যাটাগরিতে ব্রোঞ্জ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করে। নারীদের সম্পৃক্ততা ও সার্কুলার অর্থনীতিতে তাদের ভূমিকা তুলে ধরায় ক্যাম্পেইনটি বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়।
এফসিবি বিটপি টানা তৃতীয়বারের মতো ‘রেজা আলী ইন্ডিপেনডেন্ট স্পিরিট অ্যাওয়ার্ড’ পায় ডোমেক্স-এর “নাক দিয়ে দেখুন” ক্যাম্পেইনের জন্য। বিজ্ঞাপন শিল্পের স্বাধীনতা ও সাহসী দৃষ্টিভঙ্গিকে উৎসাহিত করতে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
গালা অনুষ্ঠানে বিজ্ঞাপন শিল্পে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মুনির আহমেদ খান এবং জুলফিকার আহমেদকে লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয় ১৪তম কমিউনিকেশন সামিট ২০২৫, যার প্রতিপাদ্য ছিল— “কেয়স, কালচার অ্যান্ড ক্রিয়েটিভিটি: রিইমাজিনিং দ্য কমিউনিকেশন ক্যানভাস।”


