২০২৫ সালে চ্যালেঞ্জপূর্ণ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও মুনাফায় অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়েছে সিটি ব্যাংক পিএলসি।
সিটি ব্যাংক জানিয়েছে, ২০২৫ সালে ঋণ থেকে সুদ আয় ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪ হাজার ৪০৩ কোটি থেকে ৫ হাজার ৪৫২ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাংকটি তাদের সম্পদের গুণগত মানও উন্নত করেছে। শ্রেণীকৃত ঋণ (এনপিএল) অনুপাত বছর শেষে ২ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে এসেছে, যা ২০২৪ সালের ৩ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে কম।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, সিটি ব্যাংক ২০২৫ সালে দেশীয় ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ৮ দশমিক শূন্য ১ বিলিয়ন ডলারের ট্রেড ব্যবসা করেছে। ফলে ট্রেড সার্ভিস থেকে কমিশন ও ফি আয় হয়েছে ৫২৬ কোটি টাকা; আর রিটেইল ব্যাংকিং ও কার্ড ব্যবসা থেকে এসেছে ৪৭১ কোটি টাকা। ফলে মোট ফি ও কমিশন আয় দাঁড়িয়েছে ৯৯৭ কোটি টাকা, যা ব্যাংকের মোট পরিচালন আয়ের ২১ শতাংশ।
গত বছর ব্যাংকটি তাদের ঋণের বিপরীতে প্রভিশন ব্যয় বাড়িয়ে ৮১৫ কোটি টাকায় উন্নীত করেছে, যা আগের বছর ছিল ৬২৮ কোটি টাকা। এ পদক্ষেপের ফলে ২০২৫ সালের শেষে প্রভিশন কাভারেজ অনুপাত ১২৮ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।
সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসরুর আরেফিন বলেন, ‘সব কোর ব্যাংকিং সেগমেন্ট থেকেই শক্তিশালী আয় এসেছে। বিশেষ করে রিটেইল ব্যাংকিং ও কার্ড ব্যবসা এরই মধ্যে করপোরেট ব্যাংকিংয়ের আয়ের চেয়ে এগিয়ে গেছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩৩ শতাংশ বেড়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘স্মল বিজনেস, ন্যানো ও রিটেইল লোন এবং ক্রেডিট কার্ড পোর্টফোলিওর ঋণের গুণগত মান সন্তোষজনক। এলসি ব্যবসায় নেতৃত্ব এবং আমানতের ব্যয় ৫ দশমিক ৫ শতাংশে ধরে রাখার সক্ষমতা, আমাদের বড় শক্তি।’ আট হাজার কর্মীর একটি ব্যাংকের ক্ষেত্রে কস্ট টু ইনকাম অনুপাত ৪৫ শতাংশের নিচে ধরে রাখতে পারাটা অন্যতম সাফল্য বলেও উল্লেখ করেন মাসরুর আরেফিন।


