রমজান মাস সামনে রেখে ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় রাখতে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন বছরের মার্চের ৩১ তারিখ পর্যন্ত ভোজ্যতেল আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি এবং অগ্রিম আয়কর সম্পূর্ণ অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে বিক্রয়ের ওপর মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এই বিষয়ে তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিশোধিত ও অপরিশোধিত সয়াবিন তেল, পাম তেল, সানফ্লাওয়ার তেল ও ক্যানোলা তেলের আমদানিতে বিদ্যমান সব শুল্ক-কর ২০২৫ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে না। এর ফলে রমজান মাসে সাধারণ মানুষের জন্য তেলের দাম কিছুটা কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
এদিকে, বাজারে সয়াবিন তেলের দাম কিছুটা বেড়েছে। গত ৯ ডিসেম্বর থেকে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম আট টাকা বেড়ে ১৭৫ টাকা হয়েছে। খোলা সয়াবিন ও পাম তেলের দাম প্রতি লিটারে ১৪৯ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৭ টাকায় উঠেছে। পাঁচ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল এখন বিক্রি হচ্ছে ৮৬০ টাকায়, যা আগে ছিল ৮১৮ টাকা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আমদানি পর্যায়ে শুল্ক ও কর অব্যাহতি দেওয়ার ফলে বাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক হবে। রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে সরকার সময়োপযোগী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে ব্যবসায়ীরা যেন এই সুযোগের অপব্যবহার না করে, সেদিকে মনিটরিং জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।


