বাংলাদেশে ডিমের সংকট ও বাজারে উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য ভারত থেকে ডিম আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আরও ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৪০ পিস মুরগির ডিম আমদানি করা হয়েছে। এই ডিমগুলি শনিবার রাত ৯টায় বাংলাদেশে পৌঁছায়। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাইড্রো ল্যান্ড সলুশনের প্রতিনিধি শাহ আলম জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দুই মাসের মধ্যে ৫০ লাখ ডিম আমদানির অনুমতি দিয়েছিল, যার সময়সীমা শেষ হয় গত ১০ সেপ্টেম্বর। তবে নির্ধারিত সময়ে মাত্র দুটি চালানে ৩ লাখ ডিম আনা সম্ভব হয়। পরে মন্ত্রণালয়ের অনুমতিতে সময়সীমা আরও দুই মাস বাড়ানো হয়, যা নভেম্বরে শেষ হবে।
প্রতিটি ডিম ভারত থেকে কেনা হয়েছে ৫ টাকা ৭০ পয়সা দরে। তবে শুল্ক ও অন্যান্য খরচ যুক্ত হয়ে প্রতি ডিমের দাম দাঁড়িয়েছে ৭ টাকা ৫০ পয়সার কাছাকাছি। শাহ আলম বলেন, শুল্ক কমানো হলে বাজারে ডিমের দাম আরও কমানো সম্ভব হতো। আমদানি করা ডিমের শুল্কসহ দাম পড়েছে প্রতিটি প্রায় ৭ টাকা ৩৩ পয়সা।
এই আমদানির পেছনে রয়েছে দেশের বাজারে ডিমের উচ্চমূল্য নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা। ডিমের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং সাধারণ মানুষকে সাশ্রয়ী দামে ডিম সরবরাহ করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গত বছর বিডিএস করপোরেশন একইভাবে ভারত থেকে ৬১ হাজার ৯৫০ পিস ডিম আমদানি করেছিল। তবে এবার বড় পরিসরে ডিম আমদানির চেষ্টা চলছে, যাতে দেশের ডিমের চাহিদা পূরণ এবং মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা যায়।


