বান্দরবানের পাহাড়ি অঞ্চলে অস্থিরতা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ থাকা পর্যটন কার্যক্রম সম্পর্কে দ্রুতই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেওয়ার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের মতামতের ভিত্তিতে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন, শান্তি এবং সামগ্রিক কল্যাণমূলক কার্যক্রমে কাজ করছেন।
রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় বান্দরবান জেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন শেষে ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য দেন। তিনি জানান, বান্দরবান জেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য বেশ কিছুদিন ধরে কয়েকটি সম্ভাব্য স্থান চিহ্নিত করা হলেও সঠিক স্থান নির্ধারণে সংশ্লিষ্টরা সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলেন না। পরিদর্শনের সময় উপদেষ্টা স্টেডিয়াম এলাকা, নিউ গুলশান, মেঘলা ও সূয়ালকে চারটি সম্ভাব্য স্থানের মধ্যে পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে তাদের পছন্দ অনুযায়ী স্থান নির্বাচন করা হবে।
ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, স্থানীয় জনগণের পছন্দের স্থানেই জেলা মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে, এবং প্রকৌশলী ও প্রশাসনের যৌথ সিদ্ধান্তে এ ব্যাপারে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, চূড়ান্ত পর্যালোচনা এবং পরিকল্পনার পরেই মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণের প্রকল্প শুরু হবে।
পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দার, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মু. আ. আওয়াল হাওলাদার, উপদেষ্টার একান্ত সচিব ছাদেক আহমদ, বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন, পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ কাওছার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন শনিবার রাতে দুই দিনের সফরে বান্দরবান আসেন। তিনি স্থানীয় সার্কিট হাউসে রাত যাপন শেষে রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় মসজিদ কমপ্লেক্সের সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শনে বের হন।


