দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম স্বাভাবিক ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছেন হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকেরা। পেঁয়াজ আমদানির ক্ষেত্রে ৩০ টনের বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। আমদানির অনুমতি না দিলে আজ থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ হয়ে যাবে বলেও জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, গত ১৪ আগস্ট পেঁয়াজের আইপি দেয় সরকার। ফলে ১৭ আগস্ট রোববার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। এতে করে দেশের বাজারে পণ্যটির সরবরাহ বাড়ায় দাম কমে আসছিল। কিন্তু গতকাল মঙ্গলবার থেকে আবারো হঠাৎ করে আইপি বা ইমপোর্ট পারমিট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমদানিকাকরেরা আবেদন করলেও কোনো আইপি ইস্যু করা হচ্ছে না। এতে করে আমদানিকারকেরা আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
বক্তারা আরও বলেন, পেঁয়াজের আইপি ইস্যুর পর অনেক আমদানিকারক ভারত থেকে পেঁয়াজ কিনেছেন। কিন্তু হঠাৎ করে আইপি বন্ধ করে দেওয়ার কারণে সীমান্তের ওপারে বেশ কয়েকজন আমদানিকারকের শতাধিক পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাক আটকা পড়ে আছে। যেসব আমদানিকারক এরই মধ্যে আইপির জন্য আবেদন করেছেন ও ভারতে পেঁয়াজ কিনে ট্রাকে লোড করে রেখেছেন তাদের জন্য পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়ার দাবি জানানো হয়। আমদানি উন্মুক্ত থাকলে দেশের বাজারে দাম কমে আসবে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা।
এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হিলি স্থলবন্দর আমদানি রপ্তানিকারক গ্রুপের সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক, আমদানিকারক রিপন হোসেনসহ অনেকে।


