পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসির সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএএ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-১’।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ, যার ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ এবং ১৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় ৯ টাকা ১২ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ৬ টাকা ১৮ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে ব্যাংকটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫১ টাকা ৫৬ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্র্যাক ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৯৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ টাকা ৩০ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।
৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৪ টাকা ১১ পয়সায়। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্র্যাক ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৪ টাকা ৩০ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত), আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৭৪ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৭ টাকা ৬০ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে ব্যাংকটির পর্ষদ। এর মধ্যে সাড়ে ৭ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ৭ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে ব্র্যাক ব্যাংকের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৭৪ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত), আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৬৫ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৮ টাকা ১ পয়সায় (পুনর্মূল্যায়িত)।
২০০৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্র্যাক ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৫ হাজার কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৯৯০ কোটি ৯২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫ হাজার ৪২৯ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৯৯ কোটি ৯ লাখ ২৬ হাজার ১৬৭। এর ৪৬ দশমিক ১৭ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১১ দশমিক ৪৮ শতাংশ, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৬ দশমিক ২২ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬ দশমিক ১৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


