সরকার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণের জন্য ডিরেগুলেশন করতে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রেও ডিরেগুলেশন করতে হবে। কথায় কথায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাছে যেতে হবে না।
বুধবার (১৩ মে) চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ-এর প্রধান কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সিএসই কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় অর্থমন্ত্রীর বরাত দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সিএসই।
সভায় কমোডিটি এক্সচেঞ্জের প্রশংসা করে তানভীর গনি বলেন, আমাদের আমদানি নির্ভর অর্থনীতিতে আমদানিকারকদের ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার জন্য হেজিং দরকার হয়। এ ক্ষেত্রে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জে ডেরিভেটিভস ট্রেডিংয়ের জন্য হাই ফিন্যান্সিয়াল লিটারেসি দরকার। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে নিউ অ্যাসেট ক্লাস চালুর জন্য সিএসই প্রস্তুত।
মতবিনিময় সভায় তিনি কমোডিটি এক্সচেঞ্জের দিক জানতে চান এবং পরিশেষে বলেন, কমোডিটি এক্সচেঞ্জের ওপর এখন আলোকপাত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সিএসইর বিকল্প নেই। কমোডিটি এক্সচেঞ্জ দ্রুত চালুরও আশ্বাস দেন তিনি।
বিজ্ঞপ্তিতে সিএসই আরও জানায়, সভার শুরুতে এক্সচেঞ্জটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. সাইফুর রহমান মজুমদার সিএসই’র বাজারচিত্রসহ এক্সচেঞ্জের সার্বিক পরিচিতি তুলে ধরেন। আর কমোডিটি এক্সচেঞ্জের জন্য কারিগরি প্রস্তুতির বিষয়টি উপস্থাপন করেন মহাব্যবস্থাপক ও আইটি বিভাগের প্রধান মেজবাহ উদ্দিন। সিএসই’র সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. ফয়সাল হুদা কমোডিটি ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জের বিষয়টি বিশদরূপে উপস্থাপন করেন। এ সময় সিএসই’র চেয়ারম্যান একেএম হাবিবুর রহমান, পরিচালক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম, নাজনীন সুলতানা ও শাহজাদা মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সিএসই’র চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা কমোডিটি এক্সচেঞ্জের ব্রোকার এবং কমোডিটির অনুমোদন লাভের অপেক্ষায় রয়েছি।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীর উদ্দেশ্যে সিএসই’র পরিচালক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম বলেন, আপনার বক্তব্য আমাদের মনে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠার জন্য সত্যিকার আশা সঞ্চার করেছে। আমাদের বিশ্বাস ও প্রত্যাশা, জাতির জন্য মাইলস্টোন এই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ আপনার হাত ধরে চালু হবে।


