২৯তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে যাচ্ছে পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে। মেলা উদ্বোধন করবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য সচিব সেলিম উদ্দিন জানান, এবারের মেলায় দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও সুবিধা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মেলায় প্রথমবারের মতো ই-টিকেটিং চালু করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের যাতায়াত সহজ করতে বিআরটিসি শাটল বাস সার্ভিসও যুক্ত হয়েছে। ফার্মগেট, কুড়িল বিশ্বরোড, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী থেকে নির্ধারিত ভাড়ায় এই বাস চলাচল করবে। মেলায় ৩৬১টি স্টল ও প্যাভিলিয়ন স্থাপন করা হয়েছে। দেশীয় পণ্য যেমন জুতা, কাপড়, ইলেকট্রনিক্স, প্রসাধনী ও খাদ্যপণ্য প্রদর্শিত হবে। নারী, প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সংরক্ষিত স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মেলায় ইউথ প্যাভিলিয়ন, শিশুদের বিনোদনের জন্য শিশু কর্নার, এবং সিনিয়র সিটিজেনদের জন্য বিশেষ সিটিং কর্নারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র্যাব, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এবং অন্যান্য বাহিনী মোতায়েন থাকবে। প্রবেশ গেটে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর স্থাপন করা হয়েছে। অগ্নি দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ফায়ার ব্রিগেড সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। মেলায় খাবারের মান নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালত কাজ করবে। এছাড়া মা ও শিশুদের জন্য আলাদা কেন্দ্র, প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা, এবং ৫০০ গাড়ির জন্য পার্কিং সুবিধা রাখা হয়েছে।
মেলার প্রবেশ টিকিটের মূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা। মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধীরা বিনামূল্যে প্রবেশ করতে পারবেন। সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা খোলা থাকবে, সাপ্তাহিক ছুটির দিন রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে। ১৯৯৫ সালে শুরু হওয়া এই মেলা দেশীয় পণ্যের প্রসার এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আয়োজিত হয়ে আসছে।


