শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ফু-ওয়াং সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘বিবিবি প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ওয়াসো ক্রেডিট রেটিং কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ফু-ওয়াং সিরামিকের ইপিএস হয়েছে ২০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯৭ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি।আলোচ্য হিসাব বছরে ফু-ওয়াং সিরামিকের ইপিএস হয়েছে ২৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৯১ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে ফু-ওয়াং সিরামিক। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৭৮ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২০-২১ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা পরিচালক বাদে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ফু-ওয়াং সিরামিকের ইপিএস হয়েছে ৩৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৭০ পয়সায়।
১৯৯৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফু-ওয়াং সিরামিকের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১৩৬ কোটি ২৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৯ কোটি ২০ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩ কোটি ৬২ লাখ ৬৯ হাজার ৯৩। এর ৩০ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৫ দশমিক ৯১, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ৪০ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


