উচ্চকক্ষ গঠিত হলে বাংলাদেশের সংসদ কার্যত দ্বিকক্ষবিশিষ্ট রূপ পাবে। এ কক্ষের প্রধান দায়িত্ব হবে আইন পর্যালোচনা ও পুনর্বিবেচনা করা। বিশেষ করে সাংবিধানিক ও গুরুত্বপূর্ণ আইন সংশোধনের ক্ষেত্রে উচ্চকক্ষকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হবে। তবে তারা সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারবে না, যদিও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারবে।
আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে প্রান্তিক কণ্ঠস্বর জাতীয় রাজনীতিতে তুলে ধরার সুযোগও তৈরি হবে। দুই কক্ষের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দিলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের বিধান রাখা হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, নিম্নকক্ষ বা জাতীয় সংসদের মোট আসন হবে ৫০৫টি। এর মধ্যে ৪০০টি আসন নিম্নকক্ষের—৩০০টি সরাসরি ভোটে এবং ১০০টি নারী সংরক্ষিত আসন থেকে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে পূরণ হবে।


