ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসি (ইউসিবি) এর চেয়ারম্যান পদে সম্প্রতি একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে। মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছে, যা ব্যাংকটির নীতিমালা ও পরিচালনার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনকে ইঙ্গিত করে।
২৬ আগস্ট ২০২৪ তারিখে ইউসিবির প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় ড. অপরূপ চৌধুরীকে নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। ড. অপরূপ চৌধুরী একজন প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব যিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রাক্তন সচিব হিসেবে পরিচিত। তিনি দীর্ঘ ৩৭ বছরের কর্মজীবনে তৃণমূল প্রশাসন থেকে শুরু করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংস্থা এবং কর্পোরেট অঙ্গনে সুনামের সাথে কাজ করেছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা এবং প্রশাসনিক দক্ষতা ব্যাংকটির নীতি নির্ধারণ এবং পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এছাড়া, একই সভায় ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে বশির আহমেদকে নির্বাচিত করা হয়। বশির আহমেদ একজন সফল ব্যবসায়ী, যিনি বিভিন্ন শিল্প ও বাণিজ্যিক উদ্যোগের সাথে যুক্ত। তিনি এয়ারমেট গুডি ইলেকট্রিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, গুডি এক্সেসরিজ (প্রাইভেট) লিমিটেড, ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি বাংলাদেশ (প্রাইভেট) লিমিটেড, বি অ্যান্ড বি ইলেকট্রনিক্স, বি অ্যান্ড বি ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা এবং ব্যবসায়িক দক্ষতা ইউসিবির নির্বাহী কমিটির কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে।
এই পরিবর্তনগুলির আগে, গত ১৬ আগস্ট, সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর বোন রোকসানা জামান চৌধুরীকে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তার আগেও, জাভেদের স্ত্রী রুখমিলা জামান চৌধুরী ব্যাংকটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
এমন পরিস্থিতিতে, ইউসিবির পরিচালনা পর্ষদ ও নির্বাহী কমিটির নতুন নেতৃত্ব ব্যাংকটির পরিচালন ব্যবস্থায় নতুন দিশা এবং নীতি নির্ধারণে পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন চেয়ারম্যান ড. অপরূপ চৌধুরী এবং নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান বশির আহমেদ, তাদের পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতার আলোকে, ব্যাংকটির উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন এমন প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভার মাধ্যমে এই নতুন নেতৃত্বের নির্বাচন ইউসিবির অভ্যন্তরীণ নীতিমালা ও ব্যবস্থাপনাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে


