ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পদ্মা সেতুর টোল প্লাজার ওজন স্কেলের সামনে থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পলিথিনসহ একটি ট্রাক আটক করেছে হাইওয়ে পুলিশ। ট্রাকটিতে ১০ মেট্রিক টন পলিথিন বহন করা হচ্ছিল। এ ঘটনায় ট্রাকের চালক ও সহকারীকে আটক করা হয়েছে।
১. শরিফুল ইসলাম (৩৪) – ট্রাকচালক, যশোরের ছোট আছরা গ্রামের বাসিন্দা।
২. মো. সজল (২২) – চালকের সহকারী, একই এলাকার বাসিন্দা।
হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আ ক ম আকতারুজ্জামান বসুনিয়া জানান, মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) মাওয়ামুখী একটি ট্রাককে সন্দেহজনক মনে হলে সেটি থামানো হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পলিথিন পাওয়া যায়। পরিবেশ সংরক্ষণ আইনে এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
বাংলাদেশ সরকার পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতির কারণে পলিথিনের উৎপাদন, বিক্রি ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। তবে এখনো বিভিন্ন চোরাচালান চক্র অবৈধভাবে পলিথিনের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। পলিথিন মাটির উর্বরতা নষ্ট করে, নিকাশি ব্যবস্থা ব্যাহত করে এবং জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করে।
পরিবেশবিদদের মতে, শুধু পলিথিন আটক করাই যথেষ্ট নয়; বরং এসব নিষিদ্ধ সামগ্রী উৎপাদন ও সরবরাহের মূল গডফাদারদের আইনের আওতায় আনতে হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে অবৈধ পলিথিন ব্যবসা বন্ধ করা সম্ভব।
এ ঘটনায় আটক দুই ব্যক্তি কীভাবে এই পলিথিন সংগ্রহ করেছেন এবং কোথায় সরবরাহের পরিকল্পনা ছিল, তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো চক্র শনাক্তে তদন্ত চলছে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


