জুলাই মাসে বাংলাদেশের রফতানি আয়ে রাজত্ব করেছে তৈরি পোশাক খাত। এককভাবে খাতটি ৩৯৬ কোটি ২৭ লাখ ডলার রফতানি আয় করেছে, যা মোট রফতানির প্রায় ৮৩ শতাংশ। অথচ দ্বিতীয় স্থানে থাকা চামড়া শিল্পের আয় মাত্র ১২ কোটি ৭৪ লাখ ডলার, যা পোশাক খাতের তুলনায় নেহাতই সামান্য।
তৈরি পোশাকের পর হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশল পণ্য এবং পাটশিল্পের অবস্থান যথাক্রমে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম। এ খাতগুলোর আয় ১০ কোটি ডলারের নিচে থেকে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পণ্যে বৈচিত্র্য না থাকা এবং নির্ভরতা বেশি হওয়ায় অন্যান্য খাত এগোতে পারছে না।
র্যাপিড-এর চেয়ারম্যান ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “আমরা রফতানিতে এখনও বৈচিত্র্য আনতে পারিনি। অতিমাত্রায় পোশাকের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি।”
তবে আলোচনার জন্ম দিয়েছে সম্ভাবনাময় নতুন খাতগুলো। যেমন, ওষুধ শিল্পে বছর ব্যবধানে ৬১.৮৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হলেও আয় দাঁড়িয়েছে মাত্র ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। বাইসাইকেল খাতের আয় ১ কোটি ২১ লাখ ডলার। অন্যদিকে, প্রায় ৭০০ কোটি ডলারের আন্তর্জাতিক বাজারে আসবাবপত্র শিল্পের আয় মাত্র ৪০ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ করিম মজুমদার বলেন, “এই খাতে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে আমদানি নীতি সহজ করতে হবে। ”অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, রফতানি বাজার ধরে রাখতে হলে এখনই উদ্যোগ নিতে হবে বিকল্প খাতগুলো শক্তিশালী করার জন্য।


