তালিকাভুক্ত আরএকে সিরামিকস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের টাইলস প্রডাকশন লাইন-৩ রক্ষণাবেক্ষণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত ৮ অক্টোবর থেকে বন্ধ ছিল। এর কার্যক্রম পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটি। এক মূল্যসংবেদনশীল তথ্যের মাধ্যমে বিষয়টি জানিয়েছে সিরামিক খাতের কোম্পানিটি।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আরএকে সিরামিকসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬ পয়সা। আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ১ টাকা ৪৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ২৩ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আরএকে সিরামিকসের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ২৯ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে আরএকে সিরামিকসের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৫৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ১২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৮৫ পয়সায়।
৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের সাড়ে ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে আরএকে সিরামিকসের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ১২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৩ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৫৩ পয়সায়।
আরএকে সিরামিকসের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি ওয়ান’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।
২০১০ সালে দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আরএকে সিরামিকস মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক রাস-আল খাইমার গ্রুপের একটি যৌথ উদ্যোগ। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ৬০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৪২৭ কোটি ৯৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১৬১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৪২ কোটি ৭৯ লাখ ৬৮ হাজার ৭০১। এর ৭২ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৭ দশমিক শূন্য ২, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক ১৬ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।


