২০২৩-২৪ অর্থবছরে বন্দরটি দিয়ে আমদানির পরিমাণ ছিল ২১ লাখ ৩০ হাজার ২২৮ টন পণ্য। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬ লাখ ৩১ হাজার ৩৩০ টন কমে হয়েছে ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৮৯৮ টন। অন্যদিকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভারতে রফতানি হয়েছে ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭২ টন বাংলাদেশি পণ্য। আর গত অর্থবছরে ৭৫ হাজার ২৩২ টন কমে হয়েছে ৩ লাখ ৮১ হাজার ৪৪০ টন।
বাণিজ্য কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা। তারা জানান, বাণিজ্য কমে যাওয়ায় কমে গেছে কাজকর্মও। ফলে আয়ও কমে গেছে। দুই দেশের মধ্যে বিধিনিষেধ আরোপ বন্ধ করা দরকার।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের দফতর সম্পাদক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম বলেন, হঠাৎ হঠাৎ নেয়া সিদ্ধান্তগুলোতে দুই দেশের বাণিজ্য সম্পর্কে বড় প্রভাব পড়ছে। এতে শুধু বাংলাদেশের নয়, ভারতেও ক্ষতি হচ্ছে।
বাণিজ্যের পরিমাণ কমে আসায় বন্দর দিয়ে সরকারের রাজস্ব আয়েও প্রভাব পড়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন বলেন, বেশ কিছু পণ্যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। যার অধিকাংশ উৎপাদন হয় দেশেই। তাই সেসব পণ্য আমদানি না করায় মোট আমদানির পরিমাণ কমেছে।
স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন ভারত থেকে প্রায় ৬০০ ট্রাক পণ্য আমদানি ও আড়াইশো ট্রাক পণ্য রফতানি হলেও এখন তা নেমে এসেছে ৫০০ ও ১০০ ট্রাকের নিচে।