সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এক বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ করে জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন, অর্থাৎ ৫ আগস্ট সকাল থেকে রাত আড়াইটা পর্যন্ত তিনি ও আরও ১১ জন সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদ ভবনের একটি কক্ষে লুকিয়ে ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীও। সেনাবাহিনী পরে তাদের সেখান থেকে উদ্ধার করে।
বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক শুনানিতে পলক এই বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি নিজেই অনুরোধ করছি, জেলগেটে আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। সত্য বের করে আনুন।” শুনানি শেষে আদালত ভাটারা থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় পলকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এই মামলায় তাকে আরও এক দফা পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি দেয়া হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য যে, গত বছরের ১৫ আগস্ট পলককে গ্রেফতার করা হয়। এরপর বিভিন্ন সময় তাকে হত্যা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে রিমান্ডে নেওয়া হয়। চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি এই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
আদালতের শুনানিতে পলক দাবি করেন, বর্তমান পরিস্থিতি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার প্রতিফলন। তিনি আরও বলেন, “আমি আমার দায়িত্ব পালন করেছি দেশের কল্যাণে। আজ আমাকে রাজনৈতিক কারণে হয়রানি করা হচ্ছে।”
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, পলকের এই বক্তব্য বর্তমান পরিস্থিতির গভীর সংকেত বহন করছে। আসন্ন দিনগুলোতে এই মামলার শুনানি এবং নতুন তথ্যের ভিত্তিতে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন উত্তাপ সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


