যৌথভাবে ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) স্থানীয় সময় সকালে তেহরানে প্রথম দফা হামলা শুরু করে। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্টএকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ অভিযান হিসেবে ঘোষণা দেন।
হামলার পর ইরান পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তেল আবিব ও জেরুজালেমে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। পাশাপাশি কাতারের আল-উদেইদ ঘাঁটি, বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান ও ইরাকের এরবিলসহ বিভিন্ন স্থানে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি করেছে তেহরান। তবে United States Central Command জানিয়েছে, এসব হামলায় কোনো মার্কিন সেনা হতাহত হয়নি।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, ইসরায়েলের হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও বিপ্লবী গার্ডের কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডার নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei–এর কম্পাউন্ডেও হামলা হয়েছে। তবে তেহরান দাবি করেছে, তিনি নিরাপদে আছেন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu হামলার লক্ষ্য হিসেবে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস ও শাসনব্যবস্থার অবসানের কথা উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও ইরানে ‘মেজর কমব্যাট অপারেশন’ শুরুর ঘোষণা দেন।
এ ঘটনায় চীন, রাশিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে সংযম ও সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, সাম্প্রতিক এই সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বড় আকারের যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে।


