চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশিদের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা আন্দোলনকারী সেই ১৫ কর্মচারীর এবার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর চিঠি দেওয়া হয়েছে ।
‘আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী কর্মচারীদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ তদন্তকরণ’ শীর্ষক ওই চিঠিতে বলা হয়, চট্টগ্রাম বন্দরে অতি সম্প্রতি আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী ও রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ১৫ জন কর্মচারীকে গত ২ ফেব্রুয়ারি মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়। তারা রাষ্ট্রবিরোধী কাজে জড়িত।
চিঠিতে আরও বলা হয়, এসব বিপথগামী কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বর্তমানে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তারা যেন দেশত্যাগ করতে না পারেন এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও এজেন্সিকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হলো। একই চিঠিতে এসব কর্মচারীদের সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের বিষয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নিতে দুদককে অনুরোধ করা হয়।
এ ব্যাপারে বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েতের হামিমের মোবাইল ফোনে বেশ কয়েকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। পরে বন্দরের চিফ পারসোনেল অফিসার নাসির উদ্দিন সৈয়দ রেফায়েত হামিমের সই করা চিঠির সত্যতা নিশ্চিত করেন।
নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল ডিপিওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত শনিবার থেকে তিনদিন আট ঘণ্টা করে এবং মঙ্গলবার থেকে লাগাতার কর্মবিরতি পালন করে আসছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ। এসময় বন্দরের পক্ষ থেকে কোনো আলোচনার উদ্যোগ না নিয়ে কর্মচারীদের বদলির ব্যবস্থা করা হয়, এতে আন্দোলন আরও তীব্র হয়।


