চ্যালেঞ্জিং সময় অতিক্রম করে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি আবারও শক্ত অবস্থানে ফিরেছে। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ব্যাংকটির মোট আমানত দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা, যা এক বছরে বেড়েছে ২২ হাজার কোটি টাকা। একই সময়ে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আমানত সংগ্রহ হয়েছে ২২ হাজার কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৫ হাজার কোটি টাকা বেশি।
প্রবাসীদের আস্থা ধরে রেখে টানা ১৮ বছর ধরে রেমিট্যান্স আহরণে শীর্ষস্থানে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক। শুধু গত এক বছরেই ব্যাংকটির মাধ্যমে এসেছে ৭৬ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স। পাশাপাশি ২০২৫ সালে আমদানি ও রপ্তানি বাণিজ্যে ব্যাংকটির লেনদেন হয়েছে যথাক্রমে ৫৯ হাজার ৬১৪ কোটি এবং ৩১ হাজার ৫০৪ কোটি টাকা।
বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকসংখ্যা ৩ কোটি, যা এক বছরে বেড়েছে ৫০ লাখ। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ৪০০টি শাখা, ২৭১টি উপশাখা, ২ হাজার ৭৮৮টি এজেন্ট আউটলেট এবং ৩ হাজার ৪০টি এটিএম ও সিআরএম বুথের মাধ্যমে ব্যাংকটি সেবা দিচ্ছে।
এই অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরা হয় ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলনে। সম্মেলনে বক্তারা বলেন, পেশাদারিত্ব, প্রযুক্তিনির্ভরতা ও শরিয়াহসম্মত ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখবে।


