২০২৫ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য আগামী ২০ জানুয়ারি থেকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ কাজ ৩০ জুনের মধ্যেই শেষ করা হবে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, “আইন অনুযায়ী, হালনাগাদের সময় সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে খসড়া ভোটার তালিকা তৈরি করা হবে এবং তা ২০২৬ সালের ২ জানুয়ারি প্রকাশ করা হবে। পরবর্তীতে ২ মার্চ চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে।” তিনি আরও বলেন, ভোটার তালিকা হালনাগাদের মধ্যে সংগৃহীত তথ্য নিয়ে কোনো আপত্তি বা দাবি থাকলে তা নিষ্পত্তি করার পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। এ ছাড়া, কোনো নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে প্রয়োজন হলে ভোটার তালিকা সংশোধন করার ক্ষমতা কমিশনের রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনার জানান, হালনাগাদ কার্যক্রম চলাকালীন সময়ে কোনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে, হালনাগাদে নতুন অন্তর্ভুক্ত হওয়া ভোটাররা ভোটাধিকার পাবেন কি না, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ২০২৫ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশনের বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত দল এএমএম নাসির উদ্দীনের নেতৃত্বে। কমিশন গত ২ ডিসেম্বর সিদ্ধান্ত নেয়, এবার ভোটার তালিকা হালনাগাদের ক্ষেত্রে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে।
ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী, প্রতি বছর ২ জানুয়ারি থেকে ২ মার্চের মধ্যে হালনাগাদ কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তবে ইসির ক্ষমতা রয়েছে প্রয়োজনীয়তা অনুযায়ী যে কোনো সময় ভোটার তালিকায় সংশোধনী আনার। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে, নাগরিকদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা এবং ত্রুটিমুক্ত একটি তালিকা প্রস্তুত করাই ইসির প্রধান লক্ষ্য বলে জানানো হয়েছে।


