বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে বলেছেন, মওলানা ভাসানী অগাধ দেশপ্রেম ও জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আমাদের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন। তিনি জানান, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুরক্ষায় মওলানা ভাসানীর অবদান চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তারেক রহমান বলেন, “মওলানা ভাসানী শুধু একটি সময়ে দেশপ্রেম ও গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেননি, তিনি সবসময় নিপীড়িত মানুষের পক্ষে দাঁড়িয়ে তাঁদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করেছেন। তাঁর অটল নেতৃত্ব ও দেশপ্রেম আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে থাকে।” তিনি আরও বলেন, মওলানা ভাসানীর আদর্শ অনুসরণ করে আমরা জাতির বৃহত্তর কল্যাণের জন্য কাজ করতে সক্ষম হবো।
মওলানা ভাসানী বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অমূল্য রত্ন, যিনি সাম্রাজ্যবাদী ও উপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং কৃষক-শ্রমিক-জনতার অধিকার আদায়ে ভূমিকা অসাধারণ। তারেক রহমান মন্তব্য করেন, মওলানা ভাসানী ছিলেন শোষণবিরোধী এক সাহসী নেতা, যিনি শোষিত ও নিপীড়িত জনগণের পক্ষে সংগ্রাম করেছেন।
তিনি আরো বলেন, “মওলানা ভাসানী শুধু একাধারে মুক্তিযুদ্ধের নেতা ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন একজন জাতীয় বীর। তার নেতৃত্বে দেশের মানুষের মধ্যে স্বাধীনতা ও ন্যায়ের প্রতি আস্থা তৈরি হয়েছিল। তিনি আমাদের প্রেরণার উৎস, যাকে অনুসরণ করে আমাদের দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হবে।”
মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তারেক রহমান শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন এবং মওলানা ভাসানীর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি সকলকে তাঁর আদর্শ অনুসরণ করার আহ্বান জানান, যাতে দেশের প্রতিটি নাগরিক তাদের ন্যায্য অধিকার অর্জন করতে পারে।


