গত ২৬ দিনে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে দেশের বিভিন্ন স্থানে যৌথ বাহিনী ২৪৩টি অস্ত্র উদ্ধার করেছে। অভিযানে ১১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, উদ্ধারকৃত অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে: ১৩টি রিভলবার, ৬৭টি পিস্তল, ১৪টি রাইফেল, ৩১টি শটগান, ৬টি পাইপগান, ২৪টি শুটারগান, ২৫টি এলজি, ৩৯টি বন্দুক, ১টি একে-৪৭, ২টি গ্যাসগান, ৫টি এয়ারগান, ৭টি এসবিবিএল, ৫টি এসএমজি, ২টি টিয়ার গ্যাস লঞ্চার এবং ২টি থ্রি-কোয়াটার।
যৌথ বাহিনী ৪ সেপ্টেম্বর থেকে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের জন্য এই অভিযান শুরু করে। এর আগে, ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পুলিশ কর্তৃক লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ সদর দপ্তর জানায়, সময়সীমার মধ্যে জমা না দিলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, ৩ সেপ্টেম্বর পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাঠানো খুদেবার্তায় জানানো হয়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালীন দেশের বিভিন্ন থানায় লুট হওয়া পুলিশের দুই হাজার ৬৬টি অস্ত্র, তিন লাখ ২০ হাজার ৬৬০টি গুলি, আট হাজার ৯০৫টি টিয়ারশেল, দুই হাজার ৫৭৬টি সাউন্ড গ্রেনেড এবং ৭৫১টি টিয়ারগ্যাস গ্রেনেড উদ্ধার হয়নি।
এর ফলে, এই অভিযানের সাফল্যের পাশাপাশি লুট হওয়া অস্ত্রের উদ্ধার এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পুলিশ। অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যাচ্ছে, অবৈধ অস্ত্রের স্রোত দেশের নিরাপত্তার জন্য এক বিরাট হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। যৌথ বাহিনীর এই অভিযানকে নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে একটি কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা দেশের আইনশৃঙ্খলার উন্নতি সাধনে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সামগ্রিকভাবে, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ, যা জনগণের মধ্যে আস্থা পুনরুদ্ধারে সহায়ক হবে।


